২০ অক্টোবর ২০২০ ০৮:৩৭ অপরাহ্ন     |    ই-পেপার     |     English
২০ অক্টোবর ২০২০   |  ই-পেপার   |   English
অধ্যাপক ফয়েজ আহমদ বাবর আর নেই
অধ্যাপক ফয়েজ আহমদ বাবর আর নেই

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

অগাস্ট ০৭, ২০২০ ০৯:৫৫ এএম

জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক ফয়েজ আহমদ বাবর আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটার সময় ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় উনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন বলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ফয়েজ আহমদ বাবরের সাথে থাকা জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হানিফ মোহাম্মদ। হাসপাতালের আনুষ্ঠানিকতা শেষে বৃহস্পতিবার রাতেই ফয়েজ আহমদ বাবরের মরদেহ নিয়ে জৈন্তাপুরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিবেন বলেও তিনি জানান। জৈন্তাপুরের এ কৃতি পুরুষের মৃত্যুতে দৈনিক জৈন্তা বার্তা পরিবারের পক্ষ থেকে গভীর শোক প্রকাশ করা হয়েছে। 

জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ দৈনিক জৈন্তা বার্তা পত্রিকাকে জানান, পারিবারিক সিন্ধান্ত মোতাবেক মরহুমের জানাজার নামাজ শুক্রবার বাদ আছর জৈন্তাপুর উপজেলার সারিঘাট (উত্তর পার) ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। পরে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত তিনি সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার এম্বুলেন্সে করে ঢাকায় পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় সিলেট নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার ল্যাব এইড হাসপাতালে স্থানান্তরের জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি মা, স্ত্রী ও দুই শিশু পুত্রসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

জৈন্তাপুর উপজেলার আগফৌদ গ্রামের বাসিন্দা মাস্টার মতিউর রহমানের বড় ছেলে ফয়েজ আহমদ বাবর এর মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫১ বছর। তিনি শিক্ষা জীবন শেষ করে জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৮ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি উক্ত কলেজে কর্মরত ছিলেন। প্রভাষক হিসেবে যোগদান করলেও তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ (খন্ডকালীন) ও সর্বশেষ সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে গেছেন। জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক হিসেবে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রশিদ হেলালীর অন্যতম সহযোদ্ধা ছিলেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি কলেজের গর্ভণিং বডির সদস্যসহ অনেকগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি রাজনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন। ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনৈতিক পদাচারণা শুরু হলেও জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগ ‍ ও পরবর্তীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি (বাকবিশিস) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ও সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

ই/ডি