অগাস্ট / ১৪ / ২০২২ ০৬:৩৩ অপরাহ্ন

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

জানুয়ারী / ০৩ / ২০২২
০৪:২৮ অপরাহ্ন

আপডেট : অগাস্ট / ১৪ / ২০২২
০৬:৩৩ অপরাহ্ন

প্রস্রাবে সমস্যা কেন হয়, করণীয় কী?



122

Shares

শীতকালে অনেকেই প্রস্রাবের সমস্যায় ভোগেন।  কারো কারো প্রস্রাবে ইনফেকশনও দেখা দেয়। এসবের মূল কারণ ঠাণ্ডার ভয়ে পানি কম খাওয়া। প্রোস্টেট গ্রন্থির কারণেও অনেক সময় প্রসাবে নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে।  এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন অধ্যাপক ডা. সোহরাব হোসেন সৌরভ।

একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টায় সাধারণত আড়াই থেকে তিন লিটার পানি বা পানীয় পান করে থাকে। কিডনির কাজ করার ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকলে, পারিপার্শ্বিক আবহাওয়ার খুব বড় তারতম্য না হলে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ৫০০ সিসি প্রস্রাব কিডনি তৈরি করে থাকে। আমাদের শরীর থেকে কিছু পানি ঘাম আকারে, কিছু পানি শ্বাস-প্রশ্বাসের সঙ্গে, কিছু পানি মলের সঙ্গে বের হয়ে যায়। যেহেতু আমাদের প্রস্রাবের থলির স্বাভাবিক ধারণক্ষমতা ৩০০ সিসি, তাই স্বাভাবিকভাবে একজন মানুষ ২৪ ঘণ্টায় পাঁচবার প্রস্রাব করে থাকেন। সাধারণত দিনে চারবার আর রাতে একবার।

তবে নানাবিধ স্বাভাবিক বা অস্বাভাবিক কারণে বারবার প্রস্রাবের প্রবণতা দেখা দিতে পারে, আবার কমেও যেতে পারে। যদি আমরা অতিরিক্ত পানি বা তরলজাতীয় খাবার খাই, তবে প্রস্রাবের পরিমাণ বেশি হয়, বারবার প্রস্রাব হয়। বারবার প্রস্রাব হয় ডায়াবেটিসেও। অন্যদিকে পুরুষের ক্ষেত্রে বয়োবৃদ্ধির সঙ্গে বয়সজনিত স্বাভাবিক পরিবর্তন হিসেবেই বৃদ্ধি ঘটে প্রোস্টেট গ্রন্থির।

প্রোস্টেট গ্রন্থি প্রস্রাব প্রবাহে বাঁধার সৃষ্টি করে। ফলে প্রস্রাবের থলি সব সময় সম্পূর্ণ খালি হয় না। আর বৃদ্ধি পাওয়া প্রোস্টেট সৃষ্টি করে প্রস্রাবের থলির মুখে এক ধরনের অস্বস্তি। বয়োবৃদ্ধির কারণে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার প্রস্রাবের থলিরই ধারণক্ষমতা কমে যায়।  বারবার প্রস্রাব করার প্রবণতা বেড়ে যায়।

জৈন্তা বার্তা ডেস্ক

জানুয়ারী / ০৩ / ২০২২
০৪:২৮ অপরাহ্ন

আপডেট : অগাস্ট / ১৪ / ২০২২
০৬:৩৩ অপরাহ্ন

জীবন যাপন