জানুয়ারী / ১৮ / ২০২২ ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় আবারও ফার্স্ট

বাংলাদেশের সিলেটের স্বনামধৈন্য শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০ – ’২১ এর ভর্তিপরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়টি আবারও ফার্স্ট হলো। প্রথমেই ‘A‘ ইউনিট। এখানে গ্রুপ ছিল দুটি। প্রথম গ্রুপে ছিল সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিায়ারিং ও সমুদ্রবিজ্ঞান সহ মোট ১৮ টি বিভাগ। দ্বিতীয় গ্রুপে ছিল শুধু স্থাপত্য বিভাগ। এ উভয় গ্রুপ মিলে আসনসংখ্যা=৯৮৫। ইংরেজি ও পাবলিক এ্যডমিনিস্ট্রেশন বিভাগদ্বয় সহ ‘B‘ ইউনিটে ছিল আরো ৯ টি বিভাগ। এই ইউনিটে আসন সংখ্যা=৬০২।

এ ছাড়াও ছিল মুক্তিযোদ্ধা-সন্তান আসন সংখ্যা=২৮, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও অন্যান্য=২৮, প্রতিবন্ধী=১৪, চা-শ্রমিক-সন্তান=৪, পোষ্য আসন=২০, এবং বিকেএসপি কোটায় ৬ আসন মিলে এই ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা আরও ১০০ টি। বিভিন্ন অলিম্পিয়াড ও ম্যাডেল-প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদেরও ছিল নির্দিষ্ট আসন-সংখ্যা।

গোটা বাংলাদেশের ভর্তিচ্ছু-শিক্ষার্থীদের ও তাদের অভিভাবকদের বাংলাদেশ-ভ্রমন (?) ও হয়রানি-বন্ধের চিন্তা মাথায় রেখে এবারের  ভর্তিপরীক্ষা শাবিপ্রবি-র জন্য ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর ধরন ছিল বহু-কাঙ্খিত গুচ্ছ ও সমন্বিত পরীক্ষা-পদ্ধতি=ইংরেজিতে: GST (General Group, Science and Technology Groups). ইংরেজিতে এ গুচ্ছ-পদ্ধতির ভর্তিপরীক্ষার নাম হলো: ”Universities Integrated Admission Test 2020 – ’21”. এর ভেতরেই ছিল all Units of all universities. এ গুচ্ছ-পদ্ধতিতে বানিজ্য-শাখা সহ ‘জিসিই’-এর ক্ষেত্রে ছিল ‘আইজিসিএসই’ এবং ‘আইএ্যএল’ (পূর্বতন ‘ও’ এবং ‘এ্য’ লেভেল) অতিরিক্ত আরেকটি ইউনিট (ইউনিট ‘C’) – এর অন্তর্ভূক্ত ছিল।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারের ভর্তিপরীক্ষা বাংলাদেশের ইতিহাসে ছিল সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি পরীক্ষা। এ গুচ্ছ-পরীক্ষায় সমন্বিতভাবে ও নজীরবিহীনভাবে একীভূত হয়েছিল বাংলাদেশের মোট ২০ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, যেগুলোর নাম এখানে উল্লেখ করার বিশেষ গুরত্ব রয়েছে। এ তালিকার নামগুলোই আমাদেরকে বুঝিয়ে দেবে আমাদের সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় কতটুকু বুদ্ধিবৃত্তিক সাহস, আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতা নিয়ে এগিয়ে চলেছে ও গোটা দেশ-ব্যাপি এ চ্যালেঞ্জিং ও তাক-লাগানো প্রথম পরীক্ষা সুষ্টু ও এককভাবে লীড্ দিয়ে কতই না সুন্দরভাবে তা সুসম্পন্ন করে এ ক্ষেত্রেও আবার ফার্স্ট হলো। এ পরীক্ষার তালিকায় ছিলঃ

1. Shahjalal University of Scienc e and Technology, Sylhet, 2. Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Digital University, Bangladesh, Gazipur, 3. Jagannat University, Dhaka, 4. Islamic University, kushtia, 5. Khulna University, Khulna, 6. Haji Muhammad Danesh University of Science and Technology, Dinajpur, 7. Maulana Bhashani University of Science and Technology, Tangail, 8. Patuakhali University of Science and Technology, Patuakhali, 9. Noakhali University of Science and Technology, Noakhali, 10. Comilla University, Comilla, 11. Jatio Kabi Kazi Najrul Islam University, Moymonsingho, 12. Joshuhor University of Science and Technology, Joshuhor, 13. Begum Rokeya University, Rongpur, 14. Pabna University of Science and Technology, Pabna, 15. Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman University of Science and Technology, Gopalganj,   16. Rangamati University of Science and Technology, Rangamati, 17. Rabindra University, Bangladesh, Sirajganj, 18. Sheikh Hasina University, Netrokuna, 19. Bangamata Sheikh Fazilatunnessa Mujib University of Science and Technology, Jamalganj, 20. Barishal University, Barishal.

এগুলোর বাইরে অতিরিক্ত পরীক্ষা-কেন্দ্র ছিল আরো ৮ টিঃ 1. Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman Agricultural University, Gazipur, 2. Chittagong University of Engineering and Technology, Chottogram, 3. Chittagong Veterinary and Animal Sciences University, Chottogram,  4. Dhaka University of Engineering and Technology, 5. Khulna University of Science and Technology, 6. Rajshahi University of Engineering and Technology, 7. Sher-e-Bangla Agricultural University, 8. Sylhet Agricultural University.

আমার জানামতে, দেশ-ব্যাপি এ মহাজজ্ঞ-ভর্তিপরীক্ষা সম্পূর্ণ সফলভাবে পরিচালনা ও সুসম্পন্ন করার  ক্ষেত্রে অরো কিছু বিষয়াদি এখানে উল্লেখ না করলেই নয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে ভার্সিটি-ভর্তিতে সর্বপ্রথম এরকম একটি সমন্বিত ও গুচ্ছ ভর্তিপরীক্ষার সর্বিক নেতৃত্বে ও দায়িত্বে ছিলেন এই সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বদ্যিালয়েরই মাননীয়, টানা দ্বিতীয়বারের, উপাচার্য প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। এ গুরুদায়িত্ব পালনের জন্য গঠিত সেন্ট্রাল ভর্তি-কমিটির সভাপতি ছিলেন স্কুল অব এপ্লাইড সায়েন্সেসের ডিন প্রফেসর ড. ইন্জিনিয়ার মোশতাক আহমেদ। এতগুলো বিশ্ববিদ্যালয় ও এতগুলো কেন্দ্রের পরীক্ষার সকল ইউনিটের ও বিভাগের, ডিসিপ্লিনের, বিষয়ের প্রশ্নপত্র মোডারেশন-প্রিন্টিংসহ সমূহ প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র বিতরন ও কালেক্সন সবই করেছে এ সুদক্ষ ও প্রেস্ট্রিজিয়াস বিশ্ববিদ্যালয়টি।

এখানে আমি একটিমাত্র কেন্দ্র-ম্যানেজমেন্টের উদাহরন দিচ্ছি। এটি হল “চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ভার্সিটি-কেন্দ্র”। এ কেন্দ্র-ম্যানেজমেন্টের দায়িত্ব পড়েছিল দু’-সদস্য বিশিষ্ট একটি টিমের উপর; তাঁরা হলেনঃ সিভিল ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ইন্জিনিয়ার ড. এইচ.এম.এ. মাহজুজ এবং একই বিভাগের আরেক প্রফেসর ইন্জিনিয়ার ড. মোঃ ইমরান কবির।

সিলেটের বাইরের, এবং দূরের তো বটেই, এ কেন্দ্রে তারিখমত পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে ২২.১০.’২১ তারিখ ভোর ৬ টায় নিজ নিজ বাসা-বাড়ি থেকে শাবি ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলেন ঐ দু’-সদস্য। পরীক্ষা-কট্রোল-সেলে গিয়ে পৌঁছলেন তাঁরা ৬.৩০-এ। সেখানে ডিন-অফিস (কন্ট্রোল সেল) থেকে তাঁরা সংগ্রহ করলেন একটি বিশেষায়িত ট্রাঙ্ক, যেটি ভর্তি ছিল পরীক্ষার সমূহ কাগজপত্রে। GPS (Global Positioning System) – এর ঐ ট্রাঙ্কের বৈশিষ্ট হলঃ কেউ ঐ ট্রাঙ্ক খোলার অপচেষ্টা করলে শাবি-র কন্ট্রোল-সেলে বসে থেকেই ধরা পড়বে চিহ্নিত হবে ঐ ব্যক্তি, সময় ও স্থান। এখানে একটি কথা বলতেই হয়, গোটা একটি দেশের এত এত বিশ্ববিদ্যালয়ের এত এত ইউনিট এবং এত এত বিষয়ের পরীক্ষা চালানোর জন্য সিলেটের গৌরব শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় একাই যেখানে যথেষ্ট; সেখানে সরকার-নিয়ন্ত্রিত অনেক অনেক পরীক্ষার, এমন কি, পি.ই.সি.-পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও বেমালুম ফাঁস হয়ে যায় প্রশ্ন-ব্যাঙ্ক বানানোর পরও, আর তা নিয়ে হয় কতই না কেলেঙ্কারি।

তাই, প্রসঙ্গক্রমে সকল সময়ের সকল সরকারের প্রতি আমার তিনটি অনুরোধঃ

১. আপনারা দয়া করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর স্বায়ত্বশাসনে কখনো হাত দিবেন না। ২. সবধরণের মাদ্রাসাহগুলোর ধর্মীয় সিলেবাসেও হাত দিবেন না; বরং, ওগুলোকে আধুনিক প্রযুক্তির আওতায় কি ভাবে আনা যায়, সেই চিন্তা করুন, পারলে ক্বওমি মাদ্রাসাহগুলোর টিচারদেরকে মাথাপিছু মসিক অন্ততঃ ১৫০০ টাকা করে অনুদান, সম্মানী দিন (সরকার কখনো গরীব হয় না), এরা কুসংস্কার আর তাবিজ-কবজ-বৃত্তে আবদ্ধ, তাদের উল্টো বলতে গেলে কোন  সরকারই ভোট পাবে না। তাদেরকে বুঝাতে হবেঃ চির-আধুনিক মহাবিজ্ঞান-গ্রন্থ আল-ক্বোর্আন এসেছে মানবকূলের হেদায়েতের জন্য; তাবিজ-কবজ, ঝাড়-ফোঁক, পানি-পড়া দেয়া, খতমপড়া-ব্যবসা, চাঁদা-উঠানো, সম্মিলিতভাবে রাতের পর রাত জেগে ওয়াজমাহফিল, জ্বীন-ভূত তাড়ানো, মোল্লাগিরি করা ইত্যাদির জন্য নয়। আরও বুঝাতে হবেঃ আল-ক্বোর্আন ঐ ব্যক্তির জন্য ‘সিফা’ (অর্থাৎ, রোগমুক্তি), যে স্বয়ং নিজে তা শিখে ও বিশুদ্ধভাবে পড়ে এবং তদুনুযায়ী আমল করে; তদুপরি অসুখ-বিসুখ হলে ডাক্তার লাগবেই।

৩. লাঙ্গল-জোয়াল-গরু যে সমস্ত কৃষকের আছে, তাদেরকে মাসিক আপাততঃ ১৫০০ টাকা করে চিকিৎসা-ভাতার ব্যবস্থা করুন, কারণ, এরা সবাইও ভোট দেয়, আর, তাদেরও অসুখ-বিসুখ হয়। দেখবেন, এ দেশের কৃষকগণ বছরান্তেই দেশের অর্থনীতি পাল্টে দিয়েছে – যেটি সার আর ভূর্তুকি দিয়ে সম্ভব হবে না। প্রতিটি সরকারেরই মনে রাখা উচিৎ=সিলেটের এক সুনামগন্জের কৃষকরাই দেশের ২০% মানুষের অন্ন যোগান দেন।

আবার আসা যাক দেশব্যাপি বিশ্ববিদ্যালয়-ভর্তিপরীক্ষার ২২.১০.’২১-এর ভোরবেলার কথায়। ঐ সাত-সকালের ঠিক ৭ টায় শাবি-র কন্ট্রোল সেলে এসে উপস্থিত হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস চেন্সেলর প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের বিশ্বদ্যিালয়গুলোতে রওয়ানা দেয়ার পূর্বমহূর্তে সকল টিমকে উদ্দেশ্য করে আবারও তিনি খুব সংক্ষিপ্ত ও দিকনির্দেশনামূলক একটি বক্তব্য দিলেন। সেন্ট্রাল ভর্তিকমিটির আহ্বায়ক ইন্জিনিয়ার প্রফেসর ড. মোশ্তাক আহমেদ তো পূর্ব থেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

উপরে উল্লেখিত ঐ টিম (সকল টিমই যার যার গন্তব্যে) চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এণ্ড এ্যনিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে রওয়ানা দিল। উল্লেখ্য যে, এ রকম টিম ছিল ২০ টিরও অধিক। প্রত্যেকটি টিমের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল এক একটি নোয়াহ্ যানবাহন। সকল নোয়াহাগাড়িতেই ছিল স্বসশ্ত্র পোলিশ প্রটোকোল। দীর্ঘ যাত্রাপথের প্রতিটি থানায় পোলিশ প্রটোকোলের সদস্যগণ পরিবর্তিত হতেন, একটি রিলে রেইসের মত। যে বিশ্ববিদ্যালয়ে যে টিমই গেছে, ওখানকার মাননীয় উপাচার্য তাঁর সংস্লিশ্ট সবাইকে নিয়ে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যলয়ের টিমকে স্বাগত জানান। এই হল শাবি এবং শাবি-র ভাইস চেন্সেলর প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সুউচ্চ মর্যদা। সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভিসিগণ নিজেরা স্বয়ং শাহজালালের টিমের সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর রেখেছেন। কোন কোন টিম নাকি ওখানকার ভিসি মহোদয়গণের আন্তরিক আতীতেয়তা, মেহমানদারি এবং আশাতীত সমাদরও লাভ করেছেন। ভিসি-র বাংলোতেই খাওয়া-দাওয়া করেছেন। পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার উত্তরপত্র-ইত্যাদি নিয়ে ফেরার পথেও পুলিশ-প্রটোকোল ছিল ঐ একই রকম।

সাবাস! শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাবাস তার উপাচার্য! বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গুচ্ছ-পদ্ধতির ভর্তিপরীক্ষার ইতিহাসে এক্ষেত্রেও তুমি ফার্স্ট হলে! আন্তরিক ধৈন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই শাহজালালের এ মহা কর্মজজ্ঞের সাথে সংস্লিশ্ট ২০ ২৫ টি উপকমিটির সকল আহ্বায়কবৃন্দকে, কন্ট্রোল সেলের সকল দায়িত্বপ্রাপ্তদেরকে, উপকমিটির সদস্যবৃন্দকে ও সকল স্তরের ছোট-বড় সকল কর্মচারিবৃন্দকে। সালাম, আদাব ও কৃতজ্ঞতা জানাই সকল কেন্দ্র-বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভিসিমহোদয়গণ ও ওখানকার সংশ্লিষ্ট সবাইকে।

জয় হোক দেশের সর্বপ্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির “শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের”।

এখন, আমার মনের কয়েকটি  কথা খোলা চিঠির মত লিখতে, বলতে ও সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। সেগুলো হলঃ ১. আমি পি.আর. এল.-এ যাওয়ার পূর্বে মাননীয় ভিসি হিসেবে প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে পেয়েছিলাম মাত্র আড়াই বছর। ভাল করে চিনতেও পারি নি। উনার বাড়ি কুমিল্লা, আর, আমার বাড়ি সিলেটে। গত আড়াই বছরের মধ্যে উনার সাথে দেখা হয়েছে আমার মাত্র দু’বারঃ একবার উনি উনার গাড়ি থেকে নামার সময়, আরেকদিন একটি অভ্যর্থনা সভায়। কথা বলারও সুযোগ হয় নি। শাহজালালে আমার ১০-১২ জন ভিসি দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। দীর্ঘদিন বিভাগের দায়িত্ব পালন করার সুবাদে প্রত্যেকজন ভিসি-র সাথে আমি কাজ করেছি। বর্তমান ভিসি-র দ্বিতীয় মেয়াদ চলছে। উনি তো একদিন শাহজালাল থেকে চলেই যাবেন। তাই, উচ্চশিক্ষা ও দেশের স্বার্থে আমার প্রথম দাবি হচ্ছে=পরবর্তীতে উনি হবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মন্জুরি কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান, এবং তা হবে অবশ্যই বর্তমান মাননীয় চেয়ারম্যানের মেয়াদ-মেয়াদসমূহ সুন্দরভাবে সমাপ্তির পর।

২. উনি হবেন যে কোন বিদেশে বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রদূত। আর, ৩. উনি হবেন বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, এবং তা-ও অবশ্যই হবে বর্তমান মহামান্য রাষ্ট্রপতির সকল মেয়াদ সুন্দরতমভাবে শেষ হওয়ার পর।

লেখকঃ  প্রফেসর ড. মোঃ আতী উল্লাহ (বিসিএস, পিএইচডি-ইংলিশ), সাবেক বিভাগীয় প্রধান, ইংরেজি বিভাগ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট।